‘আদ-দুরারুস সানিয়্যাহ’ বোমা হামলার কারণ: এমন দাবিদারদের খণ্ডনে গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আল-ফাওযান

সালাফি দাওয়াহ বাংলা

নবি-রাসুলদের তাওহিদের প্রতি দাওয়াহর বিরুদ্ধে যুগে যুগে যেসকল সংশয় ও আপত্তি উত্থাপিত হয়ে আসছে, এটি তারই একটি পুনরাবৃত্তি। অথচ সেই দাওয়াহর মূল মর্মার্থই হলো—প্রত্যেক রূপ ও প্রকারের ইবাদাতে একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই একক ও অদ্বিতীয় সাব্যস্ত করা।

প্রশ্ন: স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে শত্রুতাপরায়ণ বিরোধীদের নিক্ষিপ্ত তীরগুলোর মধ্যে একটি হলো [এই দাবি], আমাদের দেশে যেসব বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার মূল কারণ ‘আদ-দুরার আস-সানিয়্যাহ’ গ্রন্থ এবং শাইখ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আলুশ-শাইখের (رحمه الله) ফাতাওয়া। সুতরাং, এধরনের অমূলক সংশয়ের ব্যাপারে আপনার জবাব কী? আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুন।

শাইখ আল-ফাওযানের উত্তর: [১]
এই [সংশয়] প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। অতীতে মুশরিকরা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম ও তাঁদের অনুসারীদের অশুভ বা অলক্ষণে মনে করতো। তারা বলতো: “তাদের কারণেই আমাদের [বিপদাপদ] ছাড়া আর কিছু আমাদের স্পর্শ করে না।”

সুতরাং, এটি পুরোনো বিষয়। যে ব্যক্তি ‘আদ-দুরারুস সানিয়্যাহ’ সম্পর্কে এমন কথা বলে, সে ঐ ব্যক্তির মতো, যে নবি (ﷺ)-কে অশুভ মনে করে। আল্লাহ তাদের সম্পর্কে বলেছেন: ( وَإِن تُصِبۡهُمۡ سَيِّئَةࣱ يَقُولُوا هَـٰذِهِۦ مِنۡ عِندِكَ ) “আর যদি তাদের কাছে কোনো অকল্যাণ পৌঁছে, তখন তারা বলে, ‘এটা তোমার পক্ষ থেকে।” [আন-নিসা: ৭৮]

আর মহান আল্লাহ বলেছেন: ( وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ يَطَّيَّرُوا بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُ ) “আর যদি পৌঁছতো অকল্যাণ, তখন তারা একে মূসা ও তাঁর সঙ্গীদের কুলক্ষণ মনে করতো…” [আল-আরাফ: ১৩১]

তাই, দ্বীনি সংস্কার (সংশোধন/পরিশুদ্ধি) ও আল্লাহর দিকে দাওয়াহ বা আহ্বানের মতো কাজকে তাদের অকল্যাণের কারণ বলার এই প্রবণতা পুরোনো—এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

‘আদ-দুরার আস-সানিয়্যাহ’ [গ্রন্থটি] তো বিদ্যমান। তার উচিত গ্রন্থটি দেখা। এতে কি সন্ত্রাস/জঙ্গিবাদের (Terrorism) কোনো বিষয় আছে নাকি তাওহিদের দিকে দাওয়াহর কথা আছে? বরং এতে কেবল কল্যাণই রয়েছে, আর যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর।

এতে তাওহিদ আছে, শির্‌কের প্রত্যাখ্যান আছে, হিতোপদেশ ও নাসিহাহ আছে। তাই আমরা শত্রুতাপূর্ণ বিরোধীর কথায় কান দিই না; বরং আমরা ‘আদ-দুরার আস-সানিয়্যাহর’ দিকে ফিরে যাই, (এর মাঝে) যা আছে তা অধ্যয়ন করি। যার ফলে আলোচ্য ব্যক্তির প্রকৃত স্বরূপ আমাদের কাছে স্পষ্ট ও উন্মোচিত হবে।
অতিরিক্ত টীকা:

আমাদের ই-বুক ‘The Khārijites’ থেকে উদ্ধৃত: [২]

ইলমের দাবিদার বহু জাহিল-মূর্খের আবির্ভাব ঘটেছে, যারা ঢালাও তাকফির (কাফির ঘোষণা), ইরহাব (সন্ত্রাসবাদ) ও খারিজিদের পথকে শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের দাওয়াহর ওপর আরোপ করে।

আওয়াদ আল-কারনি, মুহসিন আল-আওয়াজি, হাতিম আল-আওনি ও আদিল আল-কালবানির মতো ব্যক্তিরা তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এরা সবাই মূর্খ ও প্রবৃত্তির তাড়নায় অনুপ্রাণিত, সামান্য চিন্তা করলে যা সহজেই বুঝা যায়।

উদাহরণস্বরূপ—‘আদ-দুরারুস সানিয়্যাহ’ নামক গ্রন্থটিকে তাকফির ও ইরহাবের (সন্ত্রাসবাদ) উৎস বলে অপবাদ দেওয়া হয়; অথচ বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের আগেই এ গ্রন্থটি (মৃ. ১৩৯২ হি.) আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন কাসিম আল-আসিমি আল-কাহতানি সংকলন করেছেন।

এই গ্রন্থে শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর বংশধরদের বিভিন্ন পত্র ও রিসালাহ সংকলিত হয়েছে। এটি বহুবার প্রকাশিত হয়েছে এবং আলিম ও তালিবুল ইলমদের মাঝে তা ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

এর প্রথম প্রকাশ থেকে আমাদের এই দিন পর্যন্ত প্রায় আশিটি বছর অতিবাহিত হয়েছে। এ দীর্ঘ সময়ে সৌদি আরব সাউদ, ফয়সাল, খালিদ ও ফাহাদের রাজত্বকাল প্রত্যক্ষ করেছে। এ গ্রন্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, এবং এতে ঢালাও তাকফির (Mass Takfīr) ও জঙ্গিবাদের যে বিষয় আছে বলে অভিযোগ করা হয়, তার কারণে কেউ তাদের বিরুদ্ধে বা জনসমাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেনি।

বাস্তবতা হলো, তাকফিরের মতাদর্শ সৌদি আরব ও আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে ঠিক তখনই প্রবেশ করেছে, যখন লোকেরা শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ ও শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের গ্রন্থাবলি ত্যাগ করেছে এবং মিশর থেকে পালিয়ে এসে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসকারী মিশরীয় বিদ্রোহীদের মাধ্যমে ফিক্‌র (মতাদর্শ) ও হারাকাহর (রাজনৈতিক সক্রিয়তা) গ্রন্থাবলির সাথে পরিচিত হয়েছে।

এগুলোই বিশেষ করে সাইয়্যিদ কুতুবের গ্রন্থ, এবং এছাড়া আবুল আলা মাওদুদি, হাসান আল-বান্না ও তাকিউদ্দীন আন-নাবাহানি (হিযবুত তাহরিরের প্রতিষ্ঠাতা) এবং তাদের অনুরূপদের গ্রন্থাবলি।

৭০ ও ৮০’র দশকে যখন এই গ্রন্থগুলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেসময়ই তাকফিরি আন্দোলনগুলোর আত্মপ্রকাশ ঘটে, জন্ম নেয় কুতুবি (কুতবিয়্যাহ) ও সুরুরি মতবাদ (সুরুরিয়্যাহ), এবং অচিরেই তাদের হাত ধরে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার লাভ করে। তারা যুবকদের একটি অংশকে প্রভাবিত করে ও মগজধোলাই করে ইবনু তাইমিয়্যাহ ও ইবনু আব্দুল ওয়াহহাবের সংশোধন বা সংস্কারমুখী মানহাজ (কর্মপদ্ধতি) থেকে দূরে সরিয়ে নেয়। যাঁদের মানহাজ শাসকদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে—হোক তারা সৎ বা অত্যাচারী—শরিয়াহর বিধি-বিধানের দিকে আহ্বান জানায়। কিন্তু এর বদলে তারা যুবসমাজকে কার্ল মার্ক্স (Karl Marx), ভ্লাদিমির লেনিন (Vladimir Lenin), লিওন ট্রটস্কি (Leon Trotsky) ও বলশেভিকদের (Bolsheviks) হট্টগোল বা নাশকতা, বিশৃঙ্খলা, ফিতনাহ ও বিপ্লবের পথেই ঠেলে দেয়।

তাছাড়া শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও তাঁর ছাত্রদের রচনাবলি লক্ষ করলে দেখা যায়, তাঁরা তাকফিরে বাড়াবাড়ি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং এ বিষয়ে থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।
 
তাঁরা ইসলাম ভঙ্গের কারণ হিসেবে সুনির্দিষ্ট মাত্র দশটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, যেগুলোর ব্যাপারে চার মাযহাবের উলামারা একমত। এর বিপরীতে, তাঁদের পূর্ববর্তীদের লিখিত রচনাবলি—বিশেষ করে হানাফি ফকিহদের গ্রন্থাবলি পর্যালোচনা করলে তাকফিরের ক্ষেত্রে বেশ বাড়াবাড়ির প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায়।
 
উদাহরণস্বরূপ, হানাফি মাযহাবের আলিম মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন মাহমুদ বদরুর রশিদ আল-হানাফি (মৃ. ৭৬৮ হি.) ‘আলফাযুল কুফর’ (কুফরি শব্দাবলি) নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন, যেখানে তিনি ইসলাম ভঙ্গকারী ৭০০টি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে প্রসিদ্ধ হানাফি ফকিহ মোল্লা আলি আল-কারি আল-হানাফি এই গ্রন্থের শারহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেন।

আরেকজন আলিম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাজার আল-হাইতামি (মৃ. ৯৭৩ হি.) ‘আল-ইলাম বি কাওয়াতিইল ইসলাম’ (ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ জানা) নামে একটি গ্রন্থ লিখেছেন, যাতে শত শত ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়ের উল্লেখ আছে। এর মধ্যে কিছু বিষয় সর্বসম্মত, কিছু বিষয়ে উলামাদের মাঝে মতভেদ রয়েছে, আবার কিছু বিষয় এমন রয়েছে যেগুলো মূলত ইসলাম ভঙ্গের পর্যায়েই পড়ে না।

কাসিম বিন সালাহউদ্দিন আল-খানির (মৃত্যু: ১১০৯ হিজরি) লেখা ‘আলফাযুল কুফর’ গ্রন্থে প্রায় একশটি ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়ের উল্লেখ আছে, যার মাঝে সর্বসম্মত ও মতভেদপূর্ণ উভয় প্রকার বিষয়ই বিদ্যমান।

এছাড়া একই নামের আরেকটি গ্রন্থ—মাসউদ বিন আহমাদ তাজউদ্দিন আবুল মুআলি আল-হানাফির ‘আলফাযুল কুফর’-এ ইসলামভঙ্গের দুই শতাধিক বিষয় স্থান পেয়েছে।
 
সুতরাং, অন্যান্য মাযহাবের (Schools of Thought) গ্রন্থাবলিতে তাকফিরের পরিধি বেশ বিস্তৃত। অথচ শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব তাকফিরের বিষয়টিকে কেবল সেসব বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন, যেগুলোর ওপর সব মাযহাবের উলামারা ঐকমত্য পোষণ করেছেন। এটাই প্রমাণ, তিনি তাকফিরের পরিধিকে সংকুচিত বা সীমিত করে এনেছিলেন এবং এক্ষেত্রে কোনোধরনের স্বাধীনতা (Liberty) গ্রহণ করেননি।

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (رحمه الله) তাঁর সমালোচকদের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগের জবাবে বলেছেন: [৩]

“শত্রুরা আমার বিরুদ্ধে যেসব অপবাদ রটিয়েছে, তার একটি হলো—আমি নাকি নিছক অনুমান ও অন্ধ দলান্ধতার বশে কাউকে তাকফির করি, কিংবা যার ওপর দলিল-প্রমাণ (হুজ্জাহ) প্রতিষ্ঠিত হয়নি এমন কোনো অজ্ঞ ব্যক্তির ওপরও তাকফিরের হুকুম আরোপ করি। এটি এক মহা অপবাদ! মূলত এই অপপ্রচারের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দ্বীন থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চায়।”

তিনি (رحمه الله) আরও বলেছেন: [৪]

“একইভাবে আমার সম্পর্কে জনসাধারণের মনে এই বিকৃত ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব নাকি বলে থাকে—‘যে ব্যক্তি আমার আনুগত্যের অধীনের বাইরে থাকে, সে কাফির।’ অথচ আমরা বলি: হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র মহান, এটা তো এক জঘন্য অপবাদ! বরং আমরা আমাদের অন্তরের ব্যাপারে আল্লাহকে সাক্ষী রাখি—যে ব্যক্তি একনিষ্ঠভাবে তাওহিদের ওপর আমল করে এবং শিরক ও তার অনুসারীদের থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে, সে যে যুগ বা স্থানেই হোক না কেন, সে একজন মুসলিম। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি আল্লাহর ইলাহিয়্যাহ বা একচ্ছত্র ইবাদাতের অধিকারে কাউকে শরিক করে, তার কাছে শিরকের ভ্রান্তি ও অসারতার প্রমাণ সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরার পরই কেবল আমরা তাকে তাকফির করে থাকি।”

তিনি আরও বলেন: [৫]

“আর এসব মিথ্যা ও অপবাদের অন্যতম হলো তাদের এই প্রলাপ—আমরা নাকি ঢালাওভাবে তাকফির করে থাকি; এবং যারা নিজেদের দ্বীন প্রকাশ করতে সক্ষম, তাদের সবার ওপর আমাদের কাছে হিজরত করা অপরিহার্য (ওয়াজিব) বলে গণ্য করি; কিংবা যে ব্যক্তি তাকফির করে না এবং লড়াইও করে না, আমরা তাকেও তাকফির করি—এ জাতীয় আরও বহু (অসত্য, মিথ্যাচার ও ভিত্তিহীন) অভিযোগ।

এসবের পুরোটাই ডাহা মিথ্যা ও অপবাদ, যার মাধ্যমে তারা মানুষকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দ্বীন থেকে বাধাপ্রদান করতে চায় বা দূরে সরিয়ে রাখতে চায়।

অথচ পরিস্থিতি হলো—আব্দুল কাদির জিলানির কবরের ওপর নির্মিত মূর্তি (মাজার বা সমাধি) এবং আহমাদ আল-বাদাওয়ির কবরের ওপরের মূর্তি কিংবা এ জাতীয় অন্যান্য মাজারে যারা ইবাদাত-বন্দেগি করে, তাদের অজ্ঞতা ও তাদের কাছে সঠিক দ্বীনি দাওয়াহ পৌঁছানোর মতো কোনো সতর্ককারীর অনুপস্থিতির কারণে আমরা যেখানে তাদের ওপরই তাকফিরের হুকুম আরোপ করি না, এমতাবস্থায়, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করে না, অথচ আমাদের নিকট হিজরত করে না, (আমাদের) কাউকে তাকফিরও করে না এবং (আমাদের বিরুদ্ধে) লড়াইও করে না—তাকে আমরা কীভাবে তাকফির করতে পারি? ‘আপনি পবিত্র, মহান (হে আল্লাহ)! এটা তো এক মহা অপবাদ!’ [সূরা আন-নূর: ১৬]”


তথ্যসূত্র: [৬]
[১] দাওয়াতুত তাওহিদ ওয়া সিহামুল মুগরিদিন (দার আল-ইমাম আহমাদ, ১৪২৬ হি.), পৃ. ৪০-৪১
[২] আবু ইয়াদ আমজাদ রফিক, The Khārijites (2015), পৃ. ৬৩-৬৫
[৩] মুহাম্মাদ বিন ইদের প্রতি লিখিত পত্রে, মাজমু মুআল্লাফাতিশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদিল ওয়াহহাব, ৭ম খণ্ড, পৃ. ২৫
[৪] প্রাগুক্ত (৭/৬০)
[৫] ফাতাওয়া ওয়া মাসাইল অধ্যায় (৪/১১)

পূর্ববর্তী
কোনো মন্তব্য নেই
মন্তব্য লিখুন
comment url